শিল্প ও ব্যবসার বিকাশে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট সমাধানে ২০২৮ সাল শুরুর আগেই তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এবং শিল্প খাতের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে মধ্যমেয়াদে ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের কাজ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই কূপগুলো সফলভাবে খননের পর আরও ১৫০টি নতুন কূপ খননের ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। জ্বালানি খাতের এই উন্নয়ন দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়। সভায় জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বৈঠকে সরকারের নীতিনির্ধারক ও শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্পায়ন ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক