প্রতিরক্ষা খাতে প্রতিবছর বিপুল অর্থ ব্যয় করছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে কিনেছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও উন্নত অস্ত্রশস্ত্র। তবু ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা বিশ্লেষণ চলছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আধুনিক অস্ত্র দিয়ে সব সময় গেরিলা যুদ্ধ বা ড্রোন হামলা মোকাবিলা করা সম্ভব হয় না, যার প্রমাণ মিলছে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে।
সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করে আসছে। বিশ্বের অন্যতম বড় প্রতিরক্ষা বাজেট থাকা সত্ত্বেও হুথিদের সাধারণ ও কম খরচের ড্রোনের বিরুদ্ধে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায়ই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সামরিক বিশ্লেষকরা গণমাধ্যমকে জানান যে, প্রযুক্তির আধুনিকায়ন ছাড়াও কৌশলগত পরিবর্তন এবং স্থলভিত্তিক গোয়েন্দা তথ্যের নিখুঁত ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি।
বিশ্লেষকরা আরও মনে করেন, শুধুমাত্র সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে এই সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ের ওপরও সমান জোর দেওয়া প্রয়োজন। ইয়েমেন সীমান্তে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরব ও তার মিত্রদের নতুন প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ে ভাবতে হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক