গ্রিসে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েলকে পদত্যাগ করতে বলেছে হোয়াইট হাউস। তার বিরুদ্ধে একের পর এক অসদাচরণের অভিযোগ ওঠার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা এই ঘটনায় জানা গেছে, বর্তমান প্রশাসনের নীতি ও শিষ্টাচার বহির্ভূত নানা কার্যকলাপে যুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়ার পরেই এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
কিম্বার্লি গিলফয়েল কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে সমালোচকদের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ তদন্তে তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পেশাদারিত্বহীন আচরণের একাধিক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার দায়ে তাকে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মিত্র দেশ গ্রিসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না এবং খুব শীঘ্রই নতুন রাষ্ট্রদূত নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এই ঘটনার পেছনে আরও কিছু ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট রয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানান সংশ্লিষ্টরা। মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমান প্রশাসনের সুশৃঙ্খল ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতে যেকোনো কূটনৈতিক মিশনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বর্তমান প্রশাসনের এটি একটি বড় বার্তা বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক