সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এই ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল এবং দেশবাসীকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। মূলত একটি কুচক্রী মহল দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এ ধরনের সংকটময় মুহূর্তে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের প্রোপাগান্ডা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছে যে, এই ভিত্তিহীন প্রচারণার পেছনে দেশ ও বিদেশে থাকা কিছু দুষ্কৃতকারী জড়িত থাকতে পারে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসররা অপপ্রচারের মাধ্যমে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে সাধারণ মানুষের মাঝে আলোচনা রয়েছে। অতীতেও স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এবং তার দল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্র চালিয়েছিল। তবে দেশের সাধারণ জনগণ ও সচেতন নাগরিক সমাজ এই ধরনের প্রোপাগান্ডা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং সেনাবাহিনীর প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।
এমতাবস্থায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে যে, সাইবার নজরদারি বাড়িয়ে এসব অপপ্রচারের উৎস শনাক্ত করা হচ্ছে এবং খুব শীঘ্রই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। দেশবাসীকে যেকোনো গুজবে কান না দিয়ে সবসময় সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক