চিত্রনায়ক সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছিলেন, নাকি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল, দীর্ঘ তিন দশক ধরে ঘুরপাক খাওয়া সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নতুন ধোঁয়াশার সামনে দাঁড়িয়েছে মামলার তদন্ত। দেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় এই নায়কের রহস্যজনক মৃত্যুর পর থেকেই তার ভক্ত ও পরিবার বিচার দাবি করে আসছেন। তৎকালীন সময়ে নানা নাটকীয়তার পর মামলাটি বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সিআইডির টেবিলে আসে।
একদিকে আদালতে জমা দেওয়া সিআইডির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় ডনের সরাসরি সম্পৃক্ততার চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা এই যোগসূত্র খুঁজে পান। তা সত্ত্বেও তদন্ত সংস্থা এই মৃত্যুকে সরাসরি ‘হত্যা’ বলতে নারাজ। এই অবস্থান নিয়ে জনমনে ও চলচ্চিত্রাঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ার পরও কেন একে হত্যা হিসেবে নিশ্চিত করা হচ্ছে না।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইনিভাবে কোনো মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে প্রমাণ করতে হলে যে ধরনের অকাট্য ফরেনসিক ও পারিপার্শ্বিক প্রমাণের প্রয়োজন হয়, তার কিছু ক্ষেত্রে এখনো ঘাটতি রয়েছে। আদালতের কাঠগড়ায় অভিযোগ টেকসই করতে হলে কেবল সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে এগোলে চলবে না। অন্যদিকে, পরিবার শুরু থেকেই দাবি করে আসছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আগামী দিনে এই মামলার আইনি প্রক্রিয়ায় আরও কী ধরনের মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো দেশ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক