ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথিদের দমনে তাদের লক্ষ্য করে মার্কিন বিমান বাহিনীকে কঠোর হামলা চালানোর অনুরোধ করেছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান। সম্প্রতি এক কূটনৈতিক তথ্যে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এই বিশেষ সামরিক পদক্ষেপের জন্য ওয়াশিংটনের ওপর কূটনৈতিক চাপ তৈরি করেছিল রিয়াদ।
তবে সৌদি নেতৃত্বের এই প্রস্তাব তাৎক্ষণিকভাবে নাকচ করে দেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার চেয়ে ওই সময়ে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক উপায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পক্ষপাতী ছিল ওয়াশিংটন। ফলে রিয়াদের অনুরোধ সত্ত্বেও মার্কিন সামরিক বাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে বড় কোনো বিমান হামলার নির্দেশ দেয়নি।
বিশ্লেষকদের ধারণা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং তেল সরবরাহের পথ সুরক্ষিত রাখতে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সীমানা ঘেঁষা ওই অঞ্চলে নিয়মিত উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে মার্কিন সামরিক সম্পৃক্ততার সীমা এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ হাসিলের নানা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার বিষয়টি আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক