যুক্তরাষ্ট্রে সন্তানের পাসপোর্টের জন্য আবেদন করলে বাবা-মায়ের নাগরিকত্ব বা অভিবাসন পরিস্থিতির প্রমাণ চাওয়া হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে মূলত এই নতুন নীতি গ্রহণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ি আরোপের ধারাবাহিকতায় মার্কিন প্রশাসনের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের নীতি বাস্তবায়িত হলে দেশটিতে বসবাসরত অভিবাসী পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি আইনি চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নথিপত্রের ঘাটতি রয়েছে এমন পরিবারগুলো তাদের নবজাতক বা শিশুসন্তানের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্টের আবেদন করতে গিয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়তে পারে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপের ফলে বিশ্বজুড়ে অভিবাসনপ্রত্যাশী ও প্রবাসীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের আইনকানুন আরও কঠোর ও সুশৃঙ্খল করার লক্ষ্যেই এমন নানা প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর তীব্র সমালোচনা করে আসছে। তাদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। আগামী দিনে মার্কিন প্রশাসন এই বিষয়ে চূড়ান্ত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।
ডেস্ক রিপোর্ট