সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না ডিলার নিয়োগের কেলেঙ্কারি। অন্যদিকে সার পাচার ও মজুতের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। এসব ঘটনায় জরিমানা করেও কোনো কাজ হচ্ছে না। ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের অনিয়ম এবং স্বচ্ছতার অভাবের কারণে প্রান্তিক কৃষকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সময়মতো সার না পাওয়ায় কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক কৃষিপণ্য উৎপাদনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি সাংবাদিকদের জানান, কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় সরকারি সার ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, অযোগ্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ডিলারশিপ প্রদান করায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা। অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমল থেকেই এই সিন্ডিকেটগুলো সক্রিয় রয়েছে এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সমর্থকরা এই ব্যবসার সাথে জড়িত থেকে কৃষকদের শোষণ করে আসছে।
কৃষি খাতের এই বেহাল দশা কাটাতে এবং সারের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী কৃষকরা। ডিলার নিয়োগে অনিয়মের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় কৃষক সমাজ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক