মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান ও অভিবাসের সুযোগ সৃষ্টির জন্য মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে উল্লেখ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি, অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির পর ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলিতে অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপক প্রসার ঘটবে। ফলে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে এই অঞ্চলটিতে দক্ষ ও অদক্ষ বাংলাদেশি শ্রমিকের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
বর্তমান সরকারের গতিশীল নেতৃত্বে বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতের প্রসার এবং প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বৈদেশিক শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনায় চরম দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল, যার ফলে সাধারণ কর্মীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। এমনকি কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ প্রবাসীদের যাওয়ার খরচ আকাশচুম্বী হয়েছিল।
তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং নতুন গন্তব্যে কর্মী প্রেরণের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। সরকার প্রবাসীদের কল্যাণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক