বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন যে, ২০২৩ সালের জুলাই হতে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তিন বছরে বিজিএমইএর সদস্য ২৮২টি এবং বিকেএমইএর ১২০টিসহ মোট চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে নানামুখী চাপ, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারের চাহিদার পরিবর্তনের কারণে দেশের তৈরি পোশাক খাতে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর কারণে কর্মসংস্থান হারায়েছেন হাজার হাজার শ্রমিক। এই পরিস্থিতি উত্তরণে সরকার পোশাক খাতের মালিক ও শ্রমিকদের সাথে আলোচনা করে বিভিন্ন পলিসি সহায়তা দেওয়ার কথা ভাবছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে হলে রপ্তানি বহুমুখীকরণের পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয় কমানোর কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যথায় দেশের প্রধান এই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাতটি বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক