ভারত থেকে সরকার টু সরকার বা জিটুজি চুক্তির আওতায় আমদানি করা চালের চালানে ক্ষতিকর আফলাটক্সিনের উপস্থিতি নিয়ে জনমনে তীব্র সন্দেহ দেখা দেওয়ায় প্রায় ৯,৫০০ টন চালের বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবেই মূলত এই কঠোর সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এরই মধ্যে পচা, মানহীন এবং মানুষের খাবার সম্পূর্ণ অনুপযোগী ঘোষিত ৯৮৪ টন চাল সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ফেরত দেওয়া হয়েছে। তবে এর মাঝেই এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে যে, ফেরত পাঠানো ওই নিম্নমানের চালগুলো পুনরায় পরিশোধন বা অন্য কোনো উপায়ে বাজারে ছাড়ার পাঁয়তারা চলছে, যা নিয়ে জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে গভীর শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।
খাদ্য মজুদ ও সরবরাহ প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অনিয়ম ও জনস্বাস্থ্যের ঝুকিপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে দেশের অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং চালের গুণগত মান পরীক্ষার জন্য বিশেষ ল্যাবরেটরি টেস্টের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক