ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর কালেক্টরেট চত্বরে থাকা মসজিদ ভেঙে ফেলার তীব্র নিন্দা করেছেন সর্বভারতীয় মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীনের এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তিনি দাবি করেন, ১৯১১ সাল থেকে সেখানে এই ঐতিহাসিক মসজিদটি টিকে ছিল এবং এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ ও স্বীকৃত প্রশাসনিক ইতিহাস। অথচ কোনো প্রকার সঠিক আইনি প্রক্রিয়া বা মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতিকে গুরুত্ব না দিয়েই এই ধংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে, যা দেশটির সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন, ভারতে আজ মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা চরম সংকটের মুখে পড়েছে। ওয়াইসি প্রশ্ন তোলেন, দেশের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক কাঠামোয় কি তবে মুসলিমদের কোনো ধর্মীয় স্বাধীনতা অবশিষ্ট নেই? তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের একতরফা ও উসকানিমূলক পদক্ষেপ দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মৌলিক অধিকারের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়েও তীব্র সমালোচনা করেন এই প্রবীণ নেতা। তিনি অবিলম্বে এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা ভারতের আসন্ন রাজনৈতিক সমীকরণে সংখ্যালঘু অধিকার ও ধর্মনিরপেক্ষতার ইস্যুটিকে আরও বেশি জোরালোভাবে সামনে নিয়ে আসবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক