বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় এবার পাসের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর এই বোর্ড থেকে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৯৫০ জন শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় বেশ কম।
গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটি সূচকেই বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠাতার পাঠদান প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়ানোর সময় এসেছে। এছাড়া চলতি বছর এই শিক্ষা বোর্ডের অধীন ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি, যা পুরো শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শূন্য পাস করা এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, ফলাফলের এই ধস কেন নামল, তার একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করা হবে। বিশেষ করে যে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি, তাদের শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং শিক্ষক ঘাটতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিভাবক ও সচেতন মহল মনে করছেন, শিক্ষার এই নিম্নমুখী প্রবণতা রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক