২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর সময় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক মিত্রদের ভূমিকা। কিন্তু প্রায় আট মাসের ব্যবধানে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি আমূল বদলে গেছে। নতুন নতুন রণক্ষেত্র তৈরি হয়েছে, বেড়েছে অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত কেবল দুটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর পরিধি বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চলমান এই উত্তেজনা বিশ্ব রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে এবং এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব সুদূরপ্রসারী হবে। বিভিন্ন কূটনৈতিক সূত্র থেকে জানা যায়, সংঘাতের এই নতুন পর্বে উভয় পক্ষের কৌশলগত অবস্থানেও এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। সংকট নিরসনে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল চেষ্টা চালিয়ে গেলেও স্থায়ী কোনো সমাধান এখনো অর্জিত হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং খাদ্য ও জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশ্বনেতারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দ্রুত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের তাগিদ দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এই সংঘাতের ফলস্বরূপ নতুন মেরুকরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা আগামী দিনে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কেও প্রভাব ফেলবে। যুদ্ধের এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব নিরাপত্তা কৌশল পুনর্বিন্যাস করছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক