সৌদি আরবে শরিয়াহ আইনের আওতায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় কূটনৈতিক কোনো ঘাটতি ছিল কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থেকেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সম্প্রতি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান যে, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি পুরোপুরি পরিষ্কার নন।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিস্তারিত বলতে পারবে। মূলত বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের আইনি সহায়তা এবং তাদের যেকোনো বিপদে কূটনৈতিক তৎপরতা চালুর বিষয়টি মূলত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট মিশনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে আরও নিবিড় সমন্বয় প্রয়োজন। অতীতেও বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি প্রবাসীদের নানা আইনি জটিলতার মুখে পড়তে দেখা গেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় সরকারের আরও জোরালো ভূমিকা পালনের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
উল্লেখ্য, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলেও প্রবাসীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রবাসীদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হলেও এ ধরনের ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি রোধে আরও কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ ও প্রবাসীরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক