প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের দেশের সব মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা সবাই এই দেশের সন্তান। দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রশাসন সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ঐতিহাসিক ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্দিরের উপস্থিত নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন এবং পূজা উদযাপনের খোঁজখবর নেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে দেশের বিভিন্ন সময়ে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও নিপীড়নের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বিরোধী মত দমন এবং রাজনৈতিক ফায়দা লোটার জন্য বিভিন্ন সময়ে সাধারণ মানুষের ওপর নানা ধরনের নির্যাতন চালানো হয়েছে। তৎকালীন সময়ে কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের দোসর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল।
তিনি আরও যোগ করেন যে, আমাদের অন্তর্বর্তীকালীন ও বর্তমান গণতান্ত্রিক যাত্রায় সব নাগরিকের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করা হবে। অতীতে কীভাবে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলজুড়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছিল, তা দেশবাসীর অজানা নয়। সেই অন্ধকার সময় পেছনে ফেলে এখন একটি বৈষম্যহীন ও সাম্যবাদী সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সব নাগরিকের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করেন। এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক