সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভ মহালয়া থেকে শুরু করে বিদায় নিয়েছেন দেবী। তবে এখনো পূজার রেশ কাটেনি। এরইমধ্যে দুর্গার সাজে সেজেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনায় থাকা বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রুমিন ফারহানা। তার এই নতুন রূপ নিয়ে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ কৌতূহল ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসবের মূল আনন্দ এবং এর ঐতিহ্যকে ধারণ করে তিনি এই ভিন্নধর্মী সাজে অংশ নেন, যা সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও বেশি সমৃদ্ধ করেছে।
বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, যেখানে সব ধর্মের মানুষ তাদের নিজ নিজ উৎসব আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের এমন অংশগ্রহণ দেশের সার্বিক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। শারদীয় দুর্গোৎসবের এই আমেজ বজায় রাখতে এবং সর্বস্তরের মানুষের সাথে আনন্দ ভাগ করে নিতে এমন উদ্যোগ সবসময়ই প্রশংসনীয় হয়ে আসছে। সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে স্থানীয়রা জানান, এই ধরনের উৎসবের আমেজ দেশের মানুষের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
উল্লেখ্য যে, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় উৎসবে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছিল। তবে বর্তমান সময়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের মানুষ আরও স্বাধীনভাবে তাদের উৎসব ও পার্বণগুলো পালন করতে পারছে। সংশ্লিষ্ট মহл মনে করছে, দেশের এই ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে এবং সকল সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। রুমিন ফারহানার দুর্গার সাজে সেজে ওঠার এই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ আলোড়ন তুলেছে এবং সাধারণ মানুষ এটিকে ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক