দিল্লিতে নিজ বাসভবনের সামনে থেকে আটক হওয়ার কিছুক্ষণ পর মুক্তি পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গণমাধ্যমকে জানান যে, গত মঙ্গলবার রাজধানীতে এক কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবাদ প্রদর্শনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে তার বনিবনা না হওয়ায় তাকে সাময়িকভাবে আটক করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই নাটকীয়তার অবসান ঘটে যখন সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটের দিকে পুলিশ তাকে ও তার সঙ্গীদের মুক্তি দেয়।
এই ঘটনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আটক হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক শীর্ষস্থানীয় সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে বিশিষ্ট সংসদ সদস্য দোলা সেন এবং ডেরেক ও’ব্রায়েনও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে এই আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না হলেও, রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ করার মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করতেই এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
পরবর্তীতে মুক্তি পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার দলীয় সংসদ সদস্যরা তাদের পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে পুনরায় অংশ নেন। এই ঘটনার জেরে ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে এবং বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধনের প্রসঙ্গটি আবারও জোরালোভাবে সামনে চলে আসে। ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন দিনগুলোতে এই ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক