ভারতের মিজোরাম, ত্রিপুরা এবং মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় ধারাবাহিক তিনটি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। এর প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী এবং দেশের অন্যান্য বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক কম্পন অনুভূত হয়। আকস্মিক এই ভূকম্পনে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে ফাঁকা স্থানে নেমে আসেন।
শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১২ মিনিট থেকে শুরু করে রাত ১টা ২৭ মিনিটের মধ্যে এই ভূমিকম্পগুলো রেকর্ড করা হয়। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তি স্থল ছিল দেশের বাইরে প্রতিবেশী অঞ্চলের ভূগর্ভে, যার তীব্রতা মাঝারি মানের ছিল।
এই ভূকম্পনের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়িষ্ণুতা বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আবহাওয়া অফিস দেশজুড়ে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে নজরদারি বজায় রেখেছে এবং নাগরিকদের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক