সারা বছর ড্রেজিং করেও সোজা পথে নৌ চ্যানেল সচল রাখতে পারেনি বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং ইউনিট। অপরিকল্পিত ড্রেজিং এবং অনিয়ম ও দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা খরচ দেখিয়ে নদীতে নামকায়াওয়াস্তে মাটি কেটে স্রোতের উজানেই ফেলা হয়েছিল ড্রেজিং করা মাটি। পানির স্রোতের টানে উজানের সেই মাটি এসে পুনরায় ভরাট হয়ে গেছে নির্দিষ্ট চ্যানেলটি। ফলে বর্ষা মৌসুমেও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে লঞ্চ ও ফেরি চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই রুটে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকেরা।
দীর্ঘদিন ধরে এই নৌরুটের নাব্যতা সংকট দূর করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা এবং দায়সারা কাজের কারণে সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান মেলেনি। বর্ষার দিনেও মাঝনদীতে ডুবচরে আটকে থাকছে ভারী যানবাহন বোঝাই ফেরি। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে এবং ঘাটের উভয় প্রান্তে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন যাতায়াতকারীরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক