ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াতে মার্কিন উদ্যোগের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ। সম্প্রতি মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গণমাধ্যমকে জানান যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া কঠোর অর্থনৈতিক চাপের বিশেষ কর্মসূচি অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্টে এখন থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে।
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। দীর্ঘদিন ধরে ইরানের আঞ্চলিক নীতি এবং পরমাণু কার্যক্রম নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা চলে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলসের এই যৌথ অর্থনৈতিক কৌশল তেহরানের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সংবাদ মাধ্যমকে আরও জানান, ইরানের আর্থিক সক্ষমতা সীমিত করার লক্ষ্যেই এই বৈশ্বিক জোট কাজ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তেহরানের প্রভাব খর্ব করতে এই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই সংযুক্তি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। এর ফলে বিশ্ববাজারে ইরানের তেল রপ্তানি এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক লেনদেন আরও বেশি সংকটের মুখে পড়তে পারে। তবে তেহরান এই ধরনের নিষেধাজ্ঞাকে বরাবরই অন্যায্য বলে প্রত্যাখ্যান করে আসছে এবং বিকল্প উপায়ে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ঘোষণা দিয়ে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে নানা সমীকরণ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক