নরসিংদীতে ১৪ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রায় ছয় মাস ধরে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে তার বাবা হালিম মিয়ার (৪০) বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, পাশবিক নির্যাতনের ওই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হতো। সমাজে এই ধরণের জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে এবং অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় ছয় মাস ধরে নানা অজুহাতে নিজ ঘরেই কিশোরী মেয়েকে জিম্মি করে এই পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন অভিযুক্ত হালিম মিয়া। ধর্ষণের সময় গোপন ক্যামেরায় বা মোবাইল ফোনে সেই মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে রাখতেন তিনি। সম্প্রতি সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও স্থানীয় লোকজনের হাতে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পরই অভিযুক্ত বাবা হালিম মিয়া আত্মগোপনে চলে গেছেন এবং বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়েছে যে, ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারে ইতোমধ্যে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমেছে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে তার সম্ভাব্য লুকিয়ে থাকার স্থানগুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে। নির্যাতিতা ছাত্রীকে উদ্ধার করে তার সার্বিক নিরাপত্তা ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দ্রুতই অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক