তাওহীদ হৃদয়ের ম্যাজিকাল ডাবল সেঞ্চুরিতে উইন্ডিজের ৩৫৬ রানের বিপরীতে ৩০ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অথচ একসময় ২০০ রানের মধ্যেও অলআউট হওয়ার শঙ্কা ছিল টাইগারদের। সেখান থেকে একাই দলকে টেনে নিলেন ৩৮৬ রান পর্যন্ত। নবম উইকেট হিসেবে তাসকিন আউট হলে ব্যাটিংয়ে আর নামেননি সাদমান ইসলাম।
এই দুর্দান্ত ইনিংসটি কেবল ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকেই নয়, বরং দলের সংকটময় মুহূর্তে এক অবিস্মরণীয় প্রতিরোধ হিসেবে ক্রিকেট ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে। উইন্ডিজ বোলারদের পেস ও স্পিনের বৈচিত্র্যময় আক্রমণ মোকাবিলা করে যেভাবে তাওহীদ হৃদয় উইকেটে টিকে ছিলেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদেই বাংলাদেশ দল প্রথম ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ লিড নিতে সক্ষম হয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই উইন্ডিজ বোলাররা টাইগার ব্যাটারদের ওপর চড়াও হয়েছিল। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে দলের রান পাহাড়ে পৌঁছানো নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তাওহীদ হৃদয় এক প্রান্ত আগলে রেখে অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দেন এবং সুযোগ বুঝে বাউন্ডারি আদায় করে নেন। তার এই লড়াকু মানসিকতা দলের অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যেও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে।
পরবর্তীতে লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে হৃদয় যেভাবে ইনিংস পরিচালনা করেন, তা কোচিং স্টাফ ও ক্রিকেট বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে। নবম উইকেটে তাসকিন আহমেদের সঙ্গে তার জুটি দলের স্কোরকে ৩৮৬ পর্যন্ত নিয়ে যেতে বড় ভূমিকা পালন করে। এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ দল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পেরেছে এবং আসন্ন দিনগুলোতে আরও ভালো করার প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক