যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এক নতুন ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর প্রতিপক্ষের তরফ থেকে তোলা ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ সংশ্লিষ্টতার সকল ভিত্তিহীন অভিযোগকে সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন ডা. আবদুল আল-সাইয়েদ। অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে তিনি এই অভিযোগগুলোকে নাকচ করে দিয়েছেন এবং বিষয়টি নিয়ে এক মজার রসিকতায় এর মোক্ষম জবাব দিয়েছেন।
আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে মুসলমানদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ এবং এর ফলে তৈরি হওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক মেরুকরণের প্রেক্ষাপটে ডা. আবদুল আল-সাইয়েদের এই বিজয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নির্বাচনী প্রচারণার সময় থেকেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের পক্ষ থেকে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়েছিল, যার মধ্যে এই ব্রাদারহুড বিতর্ক অন্যতম। তবে তিনি সবসময়ই অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে এসবের মোকাবিলা করেছেন।
সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমকে জানান, প্রতিপক্ষের এসব অবাস্তব ও কাল্পনিক অভিযোগ কেবল তার বিজয়ের গতিকেই ত্বরান্বিত করেছে। তিনি হাস্যরসের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, এ ধরনের অপপ্রচার দিয়ে তাকে জনগণের সেবা করার পথ থেকে বিন্দুমাত্রও টলানো সম্ভব নয়। তার এই পরিপক্ব ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রতিক্রিয়া আমেরিকান সমাজে এবং অভিবাসী মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব ফেলে1।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক