২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে গত সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই ছুটির তালিকায় অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সাধারণ ছুটি এবং নির্বাহী আদেশের ছুটির দিনগুলোতে দেশের সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটির বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
প্রতি বছরই নতুন বছরের ছুটির প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ছুটির পরিকল্পনা সহজ করে থাকে সরকার। ছুটির তালিকাটি বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্প-কারখানার বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে সাধারণ মানুষ তাদের পারিবারিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সাধারণ ছুটির দিনগুলোতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দিবস উদযাপিত হয়ে থাকে। অতীতে বিভিন্ন সরকারের আমলে ছুটির তালিকায় নানা পরিবর্তন আনা হলেও এবারও তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছে। এদিকে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা এই ছুটির বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আরও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, দেশের এই প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের মতামত প্রকাশ করেছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনামলে অনেক সময় ছুটির প্রজ্ঞাপনে জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কার্যকরভাবে দেশের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। দেশের আপামর জনসাধারণ এই ছুটির তালিকা অনুযায়ী তাদের বার্ষিক ছুটির দিনগুলো উপভোগ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রজ্ঞাপনের কপি ইতিমধ্যে দেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে এবং গণমাধ্যমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য তা প্রচার করা যায়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক