চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনিতে গণপূর্ত বিভাগের পরিত্যক্ত ঘোষিত সরকারি বাসায় অবৈধভাবে বসবাস, ভাড়া আদায় ও সাবলেট দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আকস্মিক অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এই পরিত্যক্ত সরকারি কোয়ার্টারগুলো অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিল এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ভাড়া আদায় করছিল।
অভিযানকালে দুদক টিম ঘটনাস্থল থেকে অবৈধ দখলদারদের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ সংগ্রহ করে। সরকারি সম্পত্তি জবরদখল করে ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে কমিশন। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের উদাসীনতা বা যোগসাজশ রয়েছে কি না, তা নিয়ে বিশদ তদন্ত চলছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়েও পৃথক আরেকটি অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল যে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে মিলে স্থানীয় কিছু অসাধু কর্মকর্তা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে সড়ক নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করছে। এর ফলে অল্পদিনেই রাস্তা নষ্ট হয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
দুদক টিম ঠাকুরগাঁওয়ের সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে সড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত সামগ্রীর নমুনা সংগ্রহ করে এবং কাজের মান যাচাই করে। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে তদন্তকারী দল। এই ধরনের দুর্নীতি দমনমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন। জনস্বার্থ রক্ষায় এবং সরকারি খাতের লুটপাট রোধে দেশজুড়ে দুদকের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতে আরও জোরালো হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক