বাংলাদেশের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে এবং স্বাস্থ্যখাতকে আরও বেশি শক্তিশালী করে তুলতে দেশে একটি আধুনিক ভ্যাকসিন উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের জোরালো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে যেকোনো বৈশ্বিক মহামারি বা স্বাস্থ্যঝুঁকি সফলভাবে মোকাবিলা করার জন্য এই ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্প্রতি এ বিষয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র ও দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব নিয়ে জাপানের নিপ্পন ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞানে গবেষণা এবং টিকাকরণে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জাপানি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের এই দূরদর্শী পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতে সব ধরনের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কার্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যে জীবনরক্ষাকারী টিকা দেশেই উৎপাদনের ব্যবস্থা করা গেলে তা জাতীয় অর্থনীতিতেও বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে। অতীতে স্বাস্থ্যখাতে নানা অনিয়ম এবং স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলের চরম অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে স্বাস্থ্যখাত ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। মূলত স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন নীতিনির্ধারকরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক