মন্ত্রিপরিষদের কোনো সদস্যের প্রতি পদত্যাগের মতো নির্দেশ আসা মাত্রই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলা বিভিন্ন গুঞ্জন ও আলোচনার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ স্ট্যাটাসে তিনি এই কথা স্পষ্ট করেন।
ইশরাক হোসেন আরও উল্লেখ করেন যে, এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যের সত্যতা তৃতীয় পক্ষ বা কোনো দূরবর্তী ব্যক্তির মাধ্যমে যাচাই করার প্রয়োজন হয় না, বরং যেকোনো প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়া মাত্রই তা নিয়ম অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হয়। রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী মহলের এই বার্তাটি ইতোমধ্যে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং সরকারের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারা দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক নতুন ধারার সূচনা হয়েছে, যেখানে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কার্যকর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রশাসনিক স্থবিরতা তৈরি করা হয়েছিল, বর্তমান প্রশাসনের স্বচ্ছ নীতিমালা তার সম্পূর্ণ বিপরীত। জনগণের অধিকার রক্ষায় এবং একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে এ ধরনের ঘোষণা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সচেতন মহল।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক