দেশে তাপমাত্রা কমার ধারাবাহিক প্রবণতা বর্তমানেও অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনার কয়রায় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, ব্যস্ততম রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছিল ৩৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সামগ্রিক এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে কিছুটা স্বস্তি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এদিকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী, দেশের সর্বোচ্চ ৫১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলে। হঠাৎ এই বৃষ্টির কারণে উপকূলের জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি নেমে এসেছে এবং ভ্যাপসা গরমের তীব্রতা হ্রাস পেয়েছে। আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তা এবং বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে এই বৃষ্টির প্রবণতা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও মেঘলা আকাশসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে নদীবন্দরগুলোতে আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত দেখে পথ চলার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সামগ্রিকভাবে দেশের আবহাওয়া এখন শীতের আগমনের বার্তা দিচ্ছে এবং তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে আরও হ্রাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক