বাংলাদেশ আমাদের সবার প্রিয় মাতৃভূমি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কেউ যেন বৈষম্য, ভয়ভীতি কিংবা অন্যায়ের শিকার না হন—সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতিটি মানুষের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের দাবিদার। অতীতে বিভিন্ন সময়ে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন বা অধিকার হরণের যে সংস্কৃতি স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে গড়ে উঠেছিল, তা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ অতীতে যেভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল, তার পুনরাবৃত্তি রোধে সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকতে হবে।
একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। দেশের প্রবীণ রাজনীতিক ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সবসময় সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের পক্ষে কথা বলেছেন। তাঁর দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে এবং তারেক রহমানের সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপ্রিয় রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আসনভিত্তিক উন্নয়ন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের আরও বেশি আন্তরিক হওয়ার সময় এসেছে এখনই।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক