গাজায় যুদ্ধ বন্ধ, ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ কমানো এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত শান্তি বোর্ড-এর কার্যক্রম এক বছর পূর্ণ করেছে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা, ইসরাইলি বাহিনীর দখল বন্ধ করা কিংবা অবরুদ্ধ গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও পুনর্গঠন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বোর্ডটি কোনো দৃশ্যমান সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফিলিস্তিনি জনগণের মৌলিক অধিকার ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত না করে কেবল কূটনৈতিক উদ্যোগে গঠিত এমন বোর্ডগুলোর কার্যকারিতা শুরু থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। বিশেষ করে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্ববাসীর কাছে এই উদ্যোগের কার্যকারিতা ম্লান হয়ে গেছে।
গত এক বছরে গাজায় মানবিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। হাজার হাজার নিহতের পাশাপাশি ঘরছাড়া হয়েছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। অথচ ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই শান্তি বোর্ড সংঘাত থামানোর চেয়ে কেবল আনুষ্ঠানিক বৈঠকেই সীমাবদ্ধ ছিল। বিশ্বজুড়ে শান্তিপ্রিয় মানুষ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো আশা করেছিল যে এই বোর্ড অন্ততপক্ষে গাজায় রক্তপাত বন্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কিন্তু মাঠের বাস্তবতায় কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আসেনি। ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা নির্যাতন ও দমনপীড়ন অব্যাহত থাকায় এই শান্তি বোর্ডের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা চলছে। ভবিষ্যতে এই সংকট নিরসনে আরও বাস্তবসম্মত এবং জোরালো আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক