ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে অবশেষে ছেড়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে পুলিশ প্রশাসন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও দেনদরবারের পর তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তির পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকে। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের দমনপীড়ন চালিয়ে জনগণের কণ্ঠরোধ করা যাবে না এবং গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন দলের তৎপরতা এবং সরকারের সমালোচনামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এ ধরনের আটকের ঘটনা ঘটছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, বর্তমান প্রশাসনের অধীনে বাকস্বাধীনতা ও রাজনৈতিক মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে।
এই পুরো ঘটনায় দেশটির বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একদিকে সরকারি দল বিষয়টিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে বিরোধী দলগুলো একে স্বৈরাচারী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজধানীজুড়ে এখনো রাজনৈতিক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক