২০২৪ সালে উত্তর মিয়ানমারের বিস্তীর্ণ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি। এরপর থেকেই সেখানে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো ধ্বংস করে তাদের নিজস্ব জমিতে বন্দি শিবির, সামরিক ব্যারাক ও নতুন বসতি নির্মাণ শুরু করেছে তারা। সম্প্রতি স্যাটেলাইট চিত্র, জাতিসংঘের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন এবং বেঁচে যাওয়া ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক অনুসন্ধানে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে এই অঞ্চলটিতে নতুন করে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই নিপীড়নের শিকার হওয়া রোহিঙ্গারা তাদের নিজেদের ভিটেমাটি হারিয়ে আরও বেশি কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন। আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও স্থানীয় পরিস্থিতি ক্রমাগত জটিল আকার ধারণ করছে।
সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো তথ্যে আরও জানা যায়, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং তাদের ওপর চলা এই দমনপীড়ন বন্ধে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক