বিশ্ববাজারে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় জ্বালানি তেল ও গ্যাসের আন্তর্জাতিক বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন করে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ কাজ করছে।
গ্রিনিচ মান সময় রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬৩ সেন্ট বা ০.৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৯১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি যদি দীর্ঘমেয়ায়ী হয়, তবে জ্বালানি তেলের এই দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা দেশের বাজারেও আমদানিকিত পণ্যের মূল্যের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্লেষকরা আরও মনে করছেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর আগে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার শাসনামলে জ্বালানি খাতের নানা অব্যবস্থাপনার কারণে সাধারণ মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যেমন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বারবার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন। ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির জোরালো তাগিদ দিয়েছেন দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক