বাংলাদেশে কৃষকের ব্যবহৃত কীটনাশকের বাজারের আকার প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। তবে এই বিশাল বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশই তৈরি পণ্য আমদানিনির্ভর। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে মাত্র ৫ শতাংশ। আমদানি করা সক্রিয় উপাদান বা অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট দিয়ে দেশে উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি বছরে প্রায় বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়নে এবং কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমাতে স্থানীয় পর্যায়ে কীটনাশক উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নীতিগত সহায়তা এবং উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে দেশীয় শিল্প এই খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারবে। এতে করে একদিকে যেমন স্থানীয় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে কৃষকদের হাতে সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্মত কীটনাশক পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় কৃষিপণ্যের মূল উপাদানগুলোর স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টমহল আশা প্রকাশ করেছে যে, যথাযথ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের কৃষি অর্থনীতি আরও বেশি শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক