বিতর্কিত আগাছানাশক ডাইকাম্বা নিয়ে নিয়ম তৈরির সময় জার্মান রাসায়নিক প্রতিষ্ঠান বায়ারকে একাধিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার মধ্য থেকে পছন্দেরটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ইপিএ। ডাইকাম্বা ব্যবহারের কারণে কীভাবে ক্ষতি কমানো হবে, সে বিষয়ে বায়ারের সামনে কয়েকটি বিকল্প তুলে ধরা হয়েছিল, যা নিয়ে বর্তমানে কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
আধুনিক কৃষিকাজে রাসায়নিক কীটনাশক ও আগাছানাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার মানবস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদী মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করে আসলেও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর প্রভাবে নীতিনির্ধারক পর্যায়ে অনেক সময় জনস্বার্থ উপেক্ষিত হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কৃষকদের সুরক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এ ধরনের ক্ষতিকারক রাসায়নিকের ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
কৃষি অর্থনীতিবিদ ও পরিবেশবাদীরা মনে করছেন, শুধুমাত্র বাণিজ্যিক লাভের কথা চিন্তা করে বিপজ্জনক কীটনাশকের অনুমোদন দেওয়া হলে তা সামগ্রিক বাস্তুতন্ত্রের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট গবেষকরা জানান, কৃষিক্ষেত্রে টেকসই পদ্ধতি গ্রহণ এবং জৈব কীটনাশকের ব্যবহার বৃদ্ধি না করলে অদূর ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্য আরও বড় ঝুঁকির মুখে পড়বে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক