পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোনে চ্যাটজিপিটির সহায়তা নেয়ার সময় ধরা পড়ার পর ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি), বোম্বের দ্বিতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে, যা পুরো শিক্ষা অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন, মৃত শিক্ষার্থীর বয়স কুড়ির কোঠায় এবং তিনি প্রকৌশল বিভাগের অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। পরীক্ষার চলাকালীন পরিদর্শকরা তার অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়টি ধরে ফেলেন এবং নিয়ম অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এর পরপরই মানসিক অবসাদ থেকে তিনি এই চরম পথ বেছে নেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে।
শিক্ষাবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের ওপর যে অদৃশ্য মানসিক চাপ তৈরি হয়, তা অনেক সময় তাদের ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে। অতীতেও স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক কাউন্সেলিংয়ের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে এমন ট্র্যাজেডি এড়ানো সম্ভব হয়।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক