গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নতুন চুক্তিতে সমঝোতা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও অন্যান্য কৌশলগত বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিনা খরচে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ লাভ করেছে। এই চুক্তির ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দীর্ঘদিন ধরে আর্কটিক অঞ্চলের এই বিশাল দ্বীপটির ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনা করে আসছে পরাশক্তিগুলো। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই চুক্তির ফলে এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এবং নজরদারি আরও জোরদার হবে। ডেনমার্কের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর এই ঐতিহাসিক সমঝোতায় পৌঁছেছে ওয়াশিংটন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে এই ধরনের চুক্তি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আর্কটিক অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ার পর নতুন সমুদ্রপথ এবং খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র এক ধাপ এগিয়ে গেল। এর ফলে ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নীতির ওপর নির্ভর করবে।
এই ঘটনার পাশাপাশি দেশীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও চলছে নানা আলোচনা। বিশেষ করে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে। বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নানা দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। অন্যদিকে, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সংঘটিত নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়েও এখন সরব রয়েছে বিভিন্ন মহল।কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগী সংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। জনগণের অধিকার আদায়ে এবং একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক