সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। জোটটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার অন্ধ ক্ষমতা প্রদর্শন করতে গিয়েই অতীতে অনেকে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী চরিত্র অর্জন করেছেন, যার চূড়ান্ত পরিণতি দেশবাসী অতীতে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ও তার দল কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পতনের মাধ্যমে দেখেছে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান সরকারকে সেই ধ্বংসাত্মক পথ থেকে অবিলম্বে ফিরে আসার আহ্বান জানান তারা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জোটের নেতৃবৃন্দ এই মন্তব্য করেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তারা জানান, জনগণের মৌলিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তা দেশের জন্য শুভকর হবে না। অতীতে বিভিন্ন সময়ে যারা জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে, তাদের করুণ পরিণতি থেকে বর্তমান প্রশাসনকে শিক্ষা নিতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন যে, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের ইচ্ছাই চূড়ান্ত। তাই সরকারের উচিত সব অংশীজনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে দেশ পরিচালনা করা। দেশের অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তারা। গণমাধ্যমকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় জোটের নেতারা স্পষ্ট করে জানান, জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তারা সর্বদা সোচ্চার থাকবেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক