কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ঐতিহাসিক সমৃদ্ধ জনপদ ময়নামতির সমেষপুর গ্রাম। সারা দেশে চারা উৎপাদনের শীর্ষে থাকা এই গ্রামটির শ্রমনির্ভর কৃষকদের পরিশ্রমের পথচলা প্রায় চার দশকেরও বেশি সময়। আগাম শীতকালীন চারার পাশাপাশি বারো মাসই এখানে উৎপাদন হচ্ছে বিভিন্ন তরিতরকারির চারা।
সাম্প্রতিক সময়ে কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগায় এই অঞ্চলের কৃষকরা সনাতন পদ্ধতির পাশাপাশি বেশ সফলভাবে কোকোপিট ব্যবহার করে চারা উৎপাদন শুরু করেছেন। এর ফলে চারার গুণগত মান বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি শিকড়ের বৃদ্ধিতেও অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। নার্সারি মালিক ও কৃষকরা জানিয়েছেন, কোকোপিট ব্যবহারের ফলে মাটিতে উৎপাদিত চারার তুলনায় উদ্ভিদের বেঁচে থাকার হার অনেক বেশি।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, ময়নামতির কৃষকদের এই উদ্যোগ দেশের সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সবজি চাষিরা এখান থেকে মানসম্মত চারা সংগ্রহ করছেন। সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোক্তাদের যথাযথ সহায়তা প্রদান করা হলে ভবিষ্যতে এই খাত আরও বেশি সমৃদ্ধ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক