সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে হুতিদের ছোঁড়া একটি ড্রোন মক্কার পবিত্র স্থলের দিকে এগিয়ে আসছিল, যা দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে হুতি বিদ্রোহীরা মক্কা লক্ষ্য করে কোনো ধরনের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। উল্টো তারা দাবি করেছে যে, তারা সৌদি আরবের একটি অত্যাধুনিক এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি দাবির ফলে দুই পক্ষের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত নিরসনে অতীতে স্বাক্ষরিত মক্কা চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সাংবাদিকদের বলেছেন যে, আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এ ধরনের চুক্তিগুলো কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে চলা এই সংঘাত শুধু দুই দেশের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর প্রভাব সমগ্র আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির ওপর পড়ছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পবিত্র মক্কা নগরীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হলেও এ ধরনের হামলা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করার শামিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তবে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরু করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক