দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এ রোগের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯০৫ শিশু এবং হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৩ জনের। সব মিলিয়ে হামের নতুন রোগী ৯৬৮ শিশু। এই নিয়ে সরকারি হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছে এক হাজার ২২ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশজুড়ে টিকাদান কর্মসূচি আরো জোরদার করা জরুরি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানান, আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতালগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার এবং শিশুদের দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতের নানা অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী পদক্ষেপের ঘাটতি ছিল বলে মনে করছেন অনেকেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জাতীয়ভাবে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রত্যন্ত অঞ্চলে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে মেডিকেল টিম কাজ করছে। চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মতো টিকা নেওয়া থাকলে এ ধরনের মারাত্মক রোগের বিস্তার রোধ করা সম্ভব। সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এই সংকট উত্তরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে যাতে আর কোনো শিশুর প্রাণহানি না ঘটে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক