জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে অংশ নিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই গুরুত্বপূর্ণ সফর সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই সফরে সঙ্গী হবেন বলে জানা গেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের বর্তমান কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরা এবং দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করাই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য এই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এটি হবে নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে এই সফর বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা পুনরুদ্ধারে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই যুক্তরাষ্ট্র সফরকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস এই সফর সফল করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। জাতিসংঘ অধিবেশনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গেও মতবিনিময় সভায় অংশ নিতে পারেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সূচি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক