এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশের জন্য বড় অন্তরায়—এমনটাই স্পষ্টভাবে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই শিক্ষকদের সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবি জানানো হলেও কমিশন এ বিষয়ে সরাসরি নেতিবাচক অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
রোববার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং দলীয় রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রাখতে শিক্ষকদের এমন কার্যক্রমে জড়ানো সমীচীন হবে না। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাঙ্গনের পবিত্রতা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের নিরপেক্ষ জ্ঞানার্জনের সুযোগ নিশ্চিত করার স্বার্থে শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে দূরে রাখা অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষকসমাজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিলেও নিরপেক্ষ শিক্ষাবিদরা একে সাধুবাদ জানিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন তাদের এই অবস্থানে অনড় থেকে আগামী দিনেও শিক্ষাঙ্গনকে রাজনীতির প্রভাবমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক