প্রতদিনের মতো সকালেই নিজের গৃহস্থালির টুকিটাকি কাজ শুরু করেছিলেন এক গৃহিণী। নিয়মমাফিক সকালে হাঁসের খোপ খুলতে গিয়েছিলেন তিনি। সাধারণত দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই হাঁসগুলো খাবার ও পানের খোঁজে বাইরে বেরিয়ে আসে। সেদিনও দরজা খোলার পর তিনটি হাঁস একে একে বাইরে বেরিয়ে আসে, কিন্তু বাকি হাঁসগুলো খোপের ভেতর থেকে বের হচ্ছিল না। তাদের এই অস্বাভাবিক আচরণে সন্দেহ জাগে ওই গৃহিণীর মনে। কী কারণে হাঁসগুলো বের হচ্ছে না, তা দেখতে তিনি খোপের ভেতরে উঁকি দেন।
খোপের ভেতরে তাকাতেই তার চোখ কপালে ওঠে এবং ভয়ে তার গায়ের রক্ত জমে যাওয়ার উপক্রম হয়। তিনি দেখতে পান, একটি হাঁস নিথর হয়ে মরে পড়ে আছে। আর ঠিক তার পাশেই কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে রয়েছে একটি বিশাল আকৃতির অজগর সাপ। দৃশ্যটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই ভয়ে ও আতঙ্কে তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তার গোঙানি ও আর্তচিৎকারে পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন।
প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে খোপের ভেতর বিশাল অজগর সাপটি দেখতে পান এবং আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তারা সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় ও বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারীদের খবর দেন। পরবর্তীতে বন বিভাগের কর্মীরা বা স্থানীয় উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অজগরটিকে উদ্ধার করে। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাপ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত বনাঞ্চল থেকে খাদ্য বা আশ্রয়ের খোঁজে অজগরটি লোকালয়ে চলে এসেছিল বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডেস্ক রিপোর্ট