বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন ভালো বুঝবেন, তখনই ভারত সফর করবেন। এর আগে আমাদের পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেসব কাজ ও পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলো নিয়মিতভাবে বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে। অতীতে বিভিন্ন সময় কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিলেও বর্তমান সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বেশি আস্থার জায়গায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন গতি এসেছে। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশবিরোধী নানা চুক্তির মাধ্যমে ভারতের সাথে একপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই অন্ধকার অধ্যায় পেছনে ফেলে বর্তমান সরকার সমতা ও মর্যাদার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার এই সম্পর্ক কোনো বিশেষ ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং দুই দেশের জনগণের কল্যাণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দিনেশ ত্রিবেদী গণমাধ্যমকে জানান, দুই দেশের যৌথ স্বার্থ রক্ষা করে সামনের দিনগুলোতে কীভাবে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা যায়, তা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে। পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মাধ্যমেই এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক