বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, দেশের তৃণমূলের গণতন্ত্রকে আরও সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করতে আগামী দিনে একটি সম্পূর্ণ সুষ্ঠু, সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দেওয়া হবে। দেশের আপামর জনসাধারণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।
একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সামনে আলাপকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ড. মঈন খান জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিদ্যমান সকল আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা ও বাধ্যবাধকতা দূর করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল ও দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি মজবুত করা হচ্ছে। অতীতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছিল। বিশেষ করে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে স্থানীয় প্রশাসনকে নখদাঁতহীন করে রাখা হয়েছিল এবং কার্যত নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ মিলে প্রহসনের নির্বাচন করে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট শাসনব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু এখন মানুষের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং দেশের প্রতিটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ করে দিতে বর্তমান সরকার নানামুখী সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এ সময় দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ আর কোনো স্বৈরাচারী শাসন দেখতে চায় না। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই স্থানীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই দেশের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট