সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে মিসরের পার্লামেন্ট। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের চলমান হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কৌশলগত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে কায়রো প্রশাসন। সোমবার দেশটির সংসদীয় অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহযোগিতার প্রস্তাবটি পাস হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগর ও উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মিসরের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে তেল স্থাপনা ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হুতি বিদ্রোহীদের আক্রমণ বৃদ্ধির ফলে পুরো অঞ্চলে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর আগে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে রিয়াদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেও, বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় সরাসরি সামরিক সহায়তার এই অনুমোদন দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মহল।
এই আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় মিসর ও সৌদি আরবের যৌথ সামরিক প্রস্তুতি হুতি বিদ্রোহীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। কায়রো জানিয়েছে, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং বন্ধুভাবাপন্ন রাষ্ট্রগুলোর যেকোনো বিপদে পাশে দাঁড়াতে মিসর সবসময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক কর্মকর্তা।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক