আল্লাহ তায়ালা মুসলিমদের জন্য বিভিন্নভাবে বিশেষ নেয়ামত ও ফজিলত দান করেছেন। কখনো বিশেষ কোনো দিনকে, কখনো কোনো সময়কে, কখনো কোনো আমলকে এবং কখনো কোরআনের কোনো সুরা বা আয়াতকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছেন। বিশেষ সুরাগুলোর একটি হচ্ছে সুরা কাহ্ফ। পবিত্র কোরআনের এই সুরাটির রয়েছে অগাধ আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও বরকত, যা মুমিন মুসলমানের জীবনে আলোর দিশারী হিসেবে কাজ করে।
আল্লাহ তায়ালা প্রদত্ত বিশেষ দিনগুলোর একটি জুমার দিন। জুমার দিনের বিশেষ আমলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সুরা কাহফ পাঠ করা। বিভিন্ন হাদিসে এই সুরা পাঠের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। জুমার দিনে সুরা কাহফ তেলাওয়াত করলে দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় পর্যন্ত নূর বা আলোর জ্যোতিতে আলোকিত থাকে বলে বিভিন্ন ইসলামি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমান সময়ে কোরআনের শিক্ষা ও সুরা কাহফের মতো গুরুত্বপূর্ণ সুরাগুলোর নিয়মিত চর্চা মুসলিম সমাজে নৈতিকতা ও আত্মিক শক্তি বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে। যুগের পর যুগ ধরে মুমিন বান্দারা জুমার দিনে এই সুরা পাঠের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে পবিত্র ও বরকতময় করে তোলার চেষ্টা করে আসছেন।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক