পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সোনাহার দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত থাকার পরও এক অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিককে দিয়ে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও এ ধরনের কার্যক্রমে অভিভাবক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষক সংকটের অজুহাত না থাকলেও কেন একজন কর্মচারীকে পাঠদানের দায়িত্ব দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
সম্প্রতি প্রকাশিত ২০২৬ সালের নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস রুটিন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত অফিস সহকারীর নামে সপ্তাহে নিয়মিত ১৩টি ক্লাস বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নিয়োজিত একজন কর্মচারী কীভাবে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নেন এবং শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার পরও প্রধান শিক্ষক এমন নিয়মবহির্ভূত সিদ্ধান্ত কীভাবে নিলেন, তা নিয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনার ঝড় উঠেছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ এবং প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য জানতে গণমাধ্যমকর্মীরা যোগাযোগ করলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
আরববাংলা টিভি/ডেস্ক